শাহরুখপুত্রের মাদক মামলায় বিস্তর অনিয়ম, এনসিবি কর্তাদের ভূমিকাও সন্দেহজনক

শাহরুখপুত্রের মাদক মামলায় বিস্তর অনিয়ম, এনসিবি কর্তাদের ভূমিকাও সন্দেহজনক

মাদককাণ্ডে জড়িয়ে প্রায় তিন সপ্তাহ জেলে কাটাতে হয়েছিল শাহরুখ খানপুত্র আরিয়ান খানকে। ওই মাদকের সঙ্গে বিদেশের মাদক পাচার চক্রের সম্পর্ক জুড়ে দিয়েছিল কোনো কোনো মহল। এ নিয়ে তোলপাড় হয়েছিল বলিউডসহ গোটা ভারত। পাশাপাশি এনসিবি প্রধান সমীর ওয়াংখাড়েকে নিয়ে শিবসেনার সঙ্গে কেন্দ্রের চরম টানাপোড়েন তৈরি হয়েছিল।

আরিয়ান খানের মাদক মামলায় নারকোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরোর তদন্তে একাধিক অসঙ্গতি দেখা দিয়েছে। এমনকি ওই তদন্তে এনসিবির ৭ অফিসারের ভূমিকাও বেশ সন্দেহজনক। এমনটাই উঠে এসেছে এনসিবির অভ্যন্তরীণ তদন্তে।

গত মে মাসে মাদক মামলায় আরিয়ান খানকে সব অভিযোগ থেকে অব্যহতি দেওয়া হয়। আদালতে এনসিবি মাথা হেঁট করে কবুল করতে বাধ্য হয়, তাদের কাছে আরিয়ান খানের বিরুদ্ধে উপযুক্ত ও জোরাল কোনো প্রমাণ নেই। সেবার আদালতে মুখ পুড়েছিল এনসিবির। এবার তদন্তে গাফিলতি ও অফিসারদের সন্দেহজনক আচরণে ফের মুখ কালো হলো সরকারি সংস্থাটির।

আরিয়ান খানের মাদক পাচার মামলার তদন্তে গাফিলতি নিয়ে তদন্তের জন্য একটি স্পেশাল ইনভেস্টিগেশন টিম গঠন করে এনসিবি। কারণ এ নিয়ে একাধিক অভিযোগে জেরাবর হয়েছিল এনসিবি। বাধ্য হয়েই ভিজিল্যান্সের রিপোর্ট দিল্লিতে পাঠাতে হয়েছিল তদন্ত সংস্থাকে। দেখা গেছে তদন্তে বহু গোলমাল রয়েছে। এমনকি সংস্থার কয়েকজন কর্তার উদ্দেশ্য নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে।

শাহরুখপুত্রের মাদক মামলায় মোট ৬৫ জনের সাক্ষ্য নেওয়া হয়। এদের অনেকেই ৩-৪ বার তাদের বয়ান বদল করেছে। এমনকি মামলায় টাকা আদানপ্রদানের অভিযোগও উঠেছিল। একটি ক্রুইজ শিপ থেকে আরিয়ানসহ ২০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। পুলিশের দাবি ছিল, আরিয়ানের কাছ থেকে মাদকও পাওয়া গিয়েছিল। কিন্তু সেসব অভিযোগ ধোপে টেকেনি।

সূত্র : ঢাকাটাইমস

- Advertisement -

Read More

Recent